আজম জে চৌধুরী
চেয়ারম্যান ইস্ট কোস্ট গ্রুপ
এবং
পরিচালক
ওমেরা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড
আজম জে. চৌধুরী বাংলাদেশের একজন অভিজাত শিল্পপতি এবং উদ্যোক্তা। তিনি ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং মালিক ছাড়াও, তিনি দা কনসোলিডেটেড টি অ্যান্ড ল্যান্ডস কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের চেয়ারম্যান (পূর্বে, জেমস ফিনলে লিমিটেড) এবং প্রাইম ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান, একটি বেসরকারি খাতে শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক। জনাব চৌধুরী এম.জে.এল বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাংলাদেশ এক্সন মবিল কর্পোরেশনের পরিবেশক।
অতীতে জনাব চৌধুরী গ্রীন ডেল্টা ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড(২০০১-২০০৫) এর চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন, যা বাংলাদেশের অন্যতম সফল সাধারণ বীমা কোম্পানি। এছাড়াও তিনি সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড ( সিডিবিএল) এর পরিচালক এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজ (বি এ পি এল সি ) এর সভাপতি।
জনাব আজম জে চৌধুরী দেশের অন্যতম বৃহত্তম এলপিজি অপারেটর ওমেরা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের পরিচালক। তিনি ওমেরা সিলিন্ডার লিমিটেড এবং ওমেরা ফুয়েলস লিমিটেডের পরিচালকও।
জনাব চৌধুরী বাংলাদেশ এনার্জি কোম্পানির অ্যাসোসিয়েশনের (বিইসিএ) সভাপতি এবং এলপিজি অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের ভাইস-প্রেসিডেন্ট। তিনি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য। জনাব চৌধুরী বাংলাদেশ ওশেন গোয়িং শিপ ঔনার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিওজিএসওএ) এর সভাপতি।
তার কর্মক্ষমতার স্বীকৃতিস্বরূপ হাঙ্গেরি সরকার তাকে বাংলাদেশ হাঙ্গেরির অনারারি কনসালটেন্ট হিসাবে মনোনীত করেন।
তিনি একজন বিখ্যাত গলফার এবং এই ক্রীড়াঙ্গনে বেশ কয়েকবার খ্যাতি অর্জন করেছেন।
শিক্ষা জীবনঃ আজম জে চৌধুরী প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন কাদিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে। তিনি নবীনচন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চবিদ্যালয় ভর্তি হয়ে কৃতিত্বের সাথে প্রথম বিভাগে এসএসসি পাস করেন। উল্লেখ্য যে অষ্টম শ্রেণীতে তিনি সরকারি বৃত্তি লাভ করেন। কথিত আছে মেধাবী আজম জে চৌধুরী বিদ্যালয় ছুটির পর কুলাউড়া রেলওয়ে বুক স্টলে গিয়ে ইংরেজি পত্রিকা পড়ার পর সন্ধ্যার পূর্বে বাড়ি ফিরতেন। তিনি পিতা-মাতার স্নেহ এবং অনুশাসনের মধ্য দিয়ে বাল্যজীবন অতিবাহিত করেন। এসএসসি পাস করার পরে মুরারীচাঁদ (এমসি) কলেজ হতে কৃতিত্বের সাথে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। অতঃপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে ইংরেজিতে সম্মানসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর থেকে তাঁকে আর পিছে তাকাতে হয় নাই। দেশে ও বিদেশের সাথে ব্যবসা বাণিজ্য করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন।
অত্র প্রতিষ্ঠানে অবদানঃ
অত্র প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা জনাব আজম জে চৌধুরী প্রতিষ্ঠানটির জন্মলগ্ন থেকেই সকল বিষয়ে বিশেষ অবদান রেখে যাচ্ছেন। প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে কলেজে রুপান্তর পর্যন্ত তাঁর হাত ধরেই অত্র প্রতিষ্ঠানের পথ চলা। ১৯৮৯খ্রিঃ উক্ত প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার পর হতে অদ্যাবধি পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে যে অনুদান দিয়েছেন তাঁর একটি বিবরণী উল্লেখ করা হলো । দ্বি-তলা ভবন নির্মাণ থেকে শুরু করে মাঠে মাটি ভরাট, ডেক্স-বেঞ্চ তৈরি, ওয়াশরুম তৈরি, দরজা, গ্রীল সহ জানালায় কাঁচ লাগানো, রং করা, সভাকক্ষের জন্য টেবিল, বাউন্ডারী- -দেয়াল নির্মাণ, ৭০% এর উপরে উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের অনুদান, বার্ষিক মিলাদ মাহফিলে অনুদান, কলেজের শিক্ষক- কর্মচারীবৃন্দের বেতন ও আনুষাঙ্গিক বিষয় সহ মোট- ৮৩,৩২,৫৪৭/- টাকা অনুদান প্রদান করেছেন । তাছাড়া কলেজের জন্য ৩ স্তরে জমি ক্রয় ও রেজিস্টারি সহ (১) ২২ শতক ৪৪,০০,০০০/- টাকা, (২) ২৯ শতক ৭৬,০০,০০০/-টাকা, (৩) ১৫ শতক ৫২,০০,০০০/- টাকা উল্লেখ্য যে উন্নয়ন মূলক কাজে ৮৩,৩২,৫৪৭/- ও জমি ক্রয় বাবত ১,৭২,০০,০০০/- সহ সর্বমোট ২,৫৫,৩২,৫৪৭/-টাকা অনুদান প্রদান করেছেন। তাছাড়া ০৬ তলা কলেজের নতুন ভবন নির্মাণের প্রাক্কলিত ব্যয় ২৬ কোটি টাকা সভাপতি মহোদয় ব্যক্তিগত উদ্যোগে বহন করবেন। কলেজ ভবন উদ্বোধনের দিনে তিনি কলেজের পূর্ব পার্শে কলোনির পাশের জমি কলেজে দান করেছেন মর্মে সকলকে অবগত করেন । যার মূল্য প্রায় কোটি টাকার উপরে । এ ছাড়াও অত্র প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন সময়ে তাঁর অনেক অবদান রয়েছে ।